ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ , ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি রফিকুল ইসলাম হিলালী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৮-২৫ ১৩:৪৭:৩৭
কেন্দুয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি রফিকুল ইসলাম হিলালী কেন্দুয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি রফিকুল ইসলাম হিলালী
স্টাফ রিপোর্টারঃ


‘রাখিব চারিপাশ পরিষ্কার, করিব ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিকার’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম-২০২৬ উদ্বোধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং কেন্দুয়া পৌরসভা ও N1 কেন্দুয়ার সহযোগিতায় আয়োজিত


কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম হিলালী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান,


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন, কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সেকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই সেলিমসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। উদ্বোধনের পর পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সড়ক ও আশপাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, পানি জমার স্থান এবং মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য উৎস পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। অভিযানকালে ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।


কোথাও যাতে দীর্ঘসময় পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।


বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানআশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সম্ভব হলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পৌরসভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ